শনিবার, ১৫ই আগস্ট ২০২৬, ৩১শে শ্রাবণ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

১৩ দিনেও থামেনি যুদ্ধ, ইরানকে ভাঙতে নতুন কৌশল

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১২ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৫

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা টানা ১৩ দিনে পৌঁছেছে। এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৭০০ মানুষ নিহত হয়েছেন এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন।

যুদ্ধের শুরুতেই ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে বড় ধরনের হামলা চালায়। সেই হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ অন্তত ৪৮ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।

প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল, শীর্ষ নেতৃত্বকে হত্যা করে দ্রুত ইরানের শাসনব্যবস্থাকে ভেঙে ফেলা। কিন্তু যুদ্ধের দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও সেই লক্ষ্য পূরণ হয়নি।

ইরান দ্রুত নতুন নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে এবং দেশটির প্রশাসনিক কাঠামো সচল রাখে।

এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এখন নতুন কৌশল গ্রহণের পথে এগিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ‘প্ল্যান বি’ নামে পরিচিত এই নতুন কৌশলে দুটি প্রধান দিক রয়েছে।

প্রথমটি হলো ইরানের অভ্যন্তরে বিদ্রোহ উসকে দেওয়া। কুর্দি ও বালুচদের মতো সংখ্যালঘু গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে তাদের আন্দোলনকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করা হতে পারে।

দ্বিতীয় কৌশলটি আরও কঠোর। এটি ‘দাহিয়া নীতি’ নামে পরিচিত।

এই নীতির লক্ষ্য হলো শত্রু দেশের বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর ধারাবাহিক আঘাত হেনে জনগণের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করা।

ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর সাম্প্রতিক হামলাগুলো এই কৌশলেরই অংশ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধ এখন শুধু সামরিক সংঘর্ষ নয়; বরং ইরানের রাজনৈতিক ও সামাজিক কাঠামো ভেঙে দেওয়ার একটি বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর