শনিবার, ১৫ই আগস্ট ২০২৬, ৩১শে শ্রাবণ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

এপস্টেইন নথি

লিবিয়ার হাজার কোটি ডলার কারা নিতে চেয়েছিল?

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪:০৫

প্রয়াত কুখ্যাত মার্কিন অর্থলগ্নি কারবারি ও দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের অন্ধকার জগতের আরও একটি বিস্ফোরক অধ্যায় প্রকাশ্যে এসেছে। মার্কিন বিচার বিভাগ সম্প্রতি প্রকাশিত নথিতে উঠে এসেছে, লিবিয়ার রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও আন্তর্জাতিক বাজারে অবরুদ্ধ বিপুল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার একটি সুপরিকল্পিত ছক করেছিলেন এপস্টেইনের এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী।

নথি অনুযায়ী, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা এমআই সিক্স (MI6) এবং ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সাবেক কর্মকর্তাদের সহায়তা নেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়েছিল।

২০১১ সালের জুলাই মাসে এপস্টেইনের কাছে পাঠানো একটি ই-মেইলে পুরো পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। সে সময় লিবিয়ায় মুয়াম্মার গাদ্দাফিবিরোধী গণঅভ্যুত্থান চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছিল। ওই ই-মেইলে দাবি করা হয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে লিবিয়ার প্রায় ৮০ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে, যার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রেই আটকে আছে ৩২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। তবে এপস্টেইনের সহযোগীর ধারণা ছিল, প্রকৃত অঙ্ক এর তিন থেকে চার গুণ বেশি হতে পারে।

ই-মেইলে আরও বলা হয়, অবরুদ্ধ এই অর্থের মাত্র পাঁচ থেকে দশ শতাংশ উদ্ধার করা সম্ভব হলে এবং তার বিনিময়ে দশ থেকে পঁচিশ শতাংশ কমিশন পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অল্প সময়েই বিলিয়ন ডলারের মালিক হয়ে উঠতে পারেন।

নথির সবচেয়ে আলোচিত অংশে উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক কর্মকর্তাদের ব্যবহার করার প্রস্তাব। ই-মেইল প্রেরকের দাবি অনুযায়ী, এমআই সিক্স ও মোসাদের একাধিক সাবেক কর্মকর্তা তথাকথিত ‘চুরি হওয়া’ এই সম্পদ শনাক্ত ও উদ্ধারে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।

এ ছাড়া গাদ্দাফির পতনের পর লিবিয়া পুনর্গঠনে সম্ভাব্য একশ বিলিয়ন ডলারের ব্যয়ের ক্ষেত্রেও নিজেদের প্রভাব বিস্তারের পরিকল্পনার কথা নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

মার্কিন বিচার বিভাগের নথিতে আরও বলা হয়েছে, এই ছকের সঙ্গে একাধিক আন্তর্জাতিক আইন সংস্থাকে যুক্ত করার পরিকল্পনাও ছিল। লিবিয়ার বিপুল জ্বালানি সম্পদ এবং শিক্ষিত জনশক্তিকে কাজে লাগিয়ে আইনি ও আর্থিক সুবিধা আদায়ের কৌশলও এতে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।

গাদ্দাফির পতনের ঠিক আগমুহূর্তে লিবিয়ার অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে একটি বৈশ্বিক লুণ্ঠনের ছক কষা হয়েছিল, তা এখন এপস্টেইন নথির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর