শনিবার, ১৫ই আগস্ট ২০২৬, ৩১শে শ্রাবণ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

তারেক রহমান

সেনাবাহিনীর সঙ্গে জিয়া পরিবারের সম্পর্ক আত্মিক

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৪৪

বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘সেনাবাহিনীর সঙ্গে জিয়া পরিবারের সম্পর্ক আত্মিক।’

মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সামরিক বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত শতাধিক সদস্যের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘অসুস্থ অবস্থায়ও আম্মা (বিএনপি চেয়ারপারর্সন বেগম খালেদা জিয়া) ২১ নভেম্বর সেনাকুঞ্জের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। ডাক্তাররা তাকে যেতে নিষেধ করেছিলেন। কিন্তু উনি উনার মনের সর্বোচ্চ শক্তি ও অসুস্থ শরীরের সর্বোচ্চ শক্তি এক করে সেখানে গিয়েছিলেন। কারণ সেনাবাহিনীর সঙ্গে আমাদের পরিবারের সম্পর্কটা আত্মিক। আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী সেদিন বলেছিল, অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পর তিনি  মানসিকভাবে এতটা বুস্টআপ ছিলেন, যে তাকে দেখে অসুস্থ মনে হচ্ছিল না।’

তিনি বলেন, ‘আমরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সন্তান। যিনি নিজেও একজন দেশপ্রেমিক সেনা অফিসার ছিলেন। মেজর থাকাকালীন মহান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন।’

সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, জনগণের ভোটে বিএনপি আগামীতে ক্ষমতায় গেলে আপনাদের মধ্যে যোগ্যদের খুঁজে বের করে দেশ পুনর্গঠনের বিভিন্ন দায়িত্ব দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে বিএনপির উদ্যোগে দেশ গড়ার পরিকল্পনা শীর্ষক কর্মসূচি চলছে।

তিনি বলেন, পতিত ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার দেশের প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে গেছে। সুতরাং আমাদের সকলের দায়িত্ব সেই প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় গড়ে তোলা। যেকোন মূল্যে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। কারণ দেশ পুনর্গঠনের পূর্বশর্ত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা। এর কোনো বিকল্প নেই।

পূর্বনির্ধারিত এই বৈঠকে সামরিক বাহিনীর ১০১ জন অবসরপ্রাপ্ত সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সভাটি পরিচালনা করেন মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর।

মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী।

অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে বক্তব্য দেন মেজর জেনারেল (অব.) জামিল ডি আহসান, মেজর (অব.) রেজা করিম, মেজর (অব.) সামসুজ্জোহা, মেজর (অব.) জামাল হায়দার, মেজর (অব.) আজিজুল হক, কর্নেল (অব.) হারুনুর রশিদ, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) শামসুজ্জোহা, এয়ার কমোডর (অব.) শফিক আহমেদ, রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মোস্তাফিজ, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) জয়নাল আবেদীন, কর্নেল (অব.) জগলুল, লেফটেন্যান্ট (অব.) ইমরান কাজল, মেজর (অব.) গোলাম মান্নান চৌধুরী ও ক্যাপ্টেন (অব.) রেজাউর রহমান ও কর্নেল (অব.) হান্নান মৃধা।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর